কুমিল্লার যুবক পায়ে হেঁটে পঞ্চগড় তেতুলিয়া আসলেন শান্ত

বিনোদন

মোঃ বাবুল হোসেন

পঞ্চগড় জেলা কয়টি  পায়ে হেঁটে দেশ ভ্রমন ইচ্ছা নিয়ে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলা থেকে রওনা হন সাইফুল ইসলাম শান্ত। ৪০ তম দিনে পায়ে হেঁটে অবশেষে দেশের উত্তরের শেষ প্রান্ত পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধা পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিলেন।

  শেষ হয় তার ভ্রমণ যাত্রা। এর আগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নিয়েছেন এই যুবক। একইভাবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বান্দরবন জিরো পয়েন্ট থেকে আলিকদম ১০০ কিলোমিটার দুই দিনে হেঁটে যান তিনি।

সাইফুল ইসলাম শান্ত, ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দনিয়া কলেজ থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয় নিয়ে ¯স্নাতক  (সম্মান) পাস করেন।পড়াশোনার পাশাপাশি সব সময় হাঁটতেন ও দৌড়াতেন তিনি।

 পাশাপাশি তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকুরি করতেন, চাকুরি করা অবস্থায় ভ্রমণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি সেই চাকুরিও ছেড়ে দেন ।
তেঁতুলিয়ার উদ্দেশ্যে গত ১২ অক্টোবর ভ্রমণে বের হন তিনি৷ দীর্ঘ ৪০ দিনে তাকে এমনো রাত কাটাতে হয়েছে, ছাগল গরুর ঘরে ঘুমাতে হয়েছে, নৌকার মাঝির সাথেও নৌকাতেই রাত্রি যাপন করতে হয়েছে, অনেকে তাকে দেখে হাসাহাসি করেছে, পাগলও বলেছে কিন্তু তিনি থেমে থাকে নি, আবার বেশির ভাগ মানুষ তাকে উৎসাহও দিয়েছে এবং এই ভ্রমণ সময়ে অনেকের সহায়তাও পেয়েছেন।
সাইফুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘ছোট থেকেই সারা দেশ হেঁটে দেখার স্বপ্ন ছিল। তাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। আর নিজেকে প্রস্তুত করতাম। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন ম্যারাথন দৌড়ে অংশ নিচ্ছি। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে আমি বান্দরবান জিরো পয়েন্ট থেকে আলিকদম পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার দুই দিনে হেঁটে যাই। এরপর দেশের এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্ত হেঁটে যাত্রা শুরু করতে চেয়েছি। কিন্তু করোনা মহামারি শুরু হলে তা আপাতত বন্ধ রাখি।
পরে দেখলাম এই করোনা মহামারি হয়তো আর শেষ হবে না, তাই আবার শুরু করলাম। গত ১২ আগস্ট আমি দেবিদ্বার থেকে রওনা করি। আমার এই হাঁটার সময় আমি স্ট্রাভা অ্যাপ ব্যবহার করেছি যাতে আমার প্রত্যেক মুভমেন্ট এই অ্যাপে রেকর্ড করা আছে। আমি সারা দেশ হেঁটে দেখতে চাই, এটা আমার অনেক বড় স্বপ্ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *