নিজ অর্থায়নে সেতু তৈরী করে দিলেন জে, কো ব্যাটারীর কর্ণধার বিমল চন্দ্র মন্ডল।

লাইফস্টাইল

নিজ অর্থায়নে সেতু তৈরী করে দিলেন জে, কো ব্যাটারীর কর্ণধার বিমল চন্দ্র মন্ডল।

 

কেরানীগঞ্জ উপজেলার শুভাঢ্যা কাচারিপাড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষের যাতায়াতের জন্য  নিজ অর্থায়নে একটি লোহার সেতু তৈরী করে দিলেন জে, কো ব্যাটারীর কর্ণধার বিমল চন্দ্র মন্ডল।

 

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শুভাঢ্যা খালের উপর নির্মিত ৮০ ফুট দৈর্ঘ্য দৃষ্টিনন্দন লোহার এই সেতুটিতে ব্যয় হয়েছে  পাঁচ লক্ষ টাকার অধিক।

 

শুভাঢ্যা কাচারিপাড়া এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে একটি সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে ছিলেন। তাই বাধ্য হয়ে বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে শুরু করে এলাকবাসী। কিছুদিন পর পর সাঁকোর বাশঁ ভেঙ্গে  যেতো। সে সময় ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পারাপার করতে হতো। এলাকাবাসী টাকার অভাবে সাঁকো নির্মাণ করতে পারত না।

বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার মানুষের যাতায়াতে খুবই কষ্ট হতো । বিশেষ করে বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারতো না। এলাকাবাসীর  এই দুর্দশার কথা ভেবে নিজস্ব অর্থায়নে একটি লোহার সেতু তৈরী করে দিলেন দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান জে কো ব্যাটারির কর্ণধার বিমল চন্দ্র মন্ডল।

 

এ বিষয়ে সেতুর অপর পাড়ের এলাকাবাসী অজিত সরকার জানায় একটি সেতু না থাকায় এই এলাকার মানুষের অনেক অসুবিধা হচ্ছিল। সরু বাশেঁর সাঁকো পাড় হয়ে ছেলে মেয়েদের স্কুলে যেতে খুব সমস্যা হতো। বহু বছর আগে থেকেই দেখে আসছি কেউ অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়াও সম্ভব হতো না।

এলাকাবাসীর কষ্টের কথা ভেবে বিমল চন্দ্র মন্ডল এই সেতু নির্মাণ করেছে। এতে করে অত্র এলাকার রোগী নিয়ে যাওয়াসহ মানুষের যাতায়াতের অনেক সুবিধা হচ্ছে । সেতু না থাকায় এখানকার মানুষ খুব বিপদগ্রস্ত ছিলো, এখন সেতু হওয়ায় সকলে খুবই আনন্দিত । এছাড়াও বিমল চন্দ্র মন্ডল এলাকার উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করে আসছে।

অসহায় এবং গরিব-দুঃখীদের পাশে সব সময় তাকে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা দক্ষিন কেরানীগঞ্জ আওয়ামীলীগের সদস্য হাজী মো.ফরিদ হোসেন জানায় সেতু তৈরীর পূর্বে এই এলাকার মানুষের বাশেঁর সাঁকো দিয়ে পার হওয়া দুঃসাধ্য বিষয় ছিলো। সেতু হওয়াতে মানুষের জন্য অনেক উপকার হলো।  তিনি আরও বলেন, বিমল মন্ডল এটি খুব ভালো কাজ করেছেন।

আর ভালো কাজ প্রচার করতে হয় না। এমনিতেই মানুষ জেনে যায়। জনসেবা করতে চাইলে এমপি বা চেয়ারম্যান হতে হয় না। মন থেকে চাইলেই সম্ভব। তাই তিনি সকলকে নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

 

 

এ বিষয়ে বিমল চন্দ্র মন্ডল সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কাচারিপাড়া এলাকার মানুষের কষ্ট দূর করতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করতে পেরে ভালো লাগছে । মানুষের জন্য কিছু করতে পেরেছি তাই আমি আনন্দিত। তবে এটা আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস।

আগামীতে আরো বড় কিছু করার ইচ্ছে আছে। কি বড় কিছু জানতে চাইলে তিনি বলেন,

আমার বাবার স্বপ্ন ছিলো একটি হাসপাতাল ও একটি বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণ করা। বাবার স্বপ্ন পূরন করতে কাজ করে যাচ্ছি, সময় লাগবে হয়তো। কিন্তু আমি করতে চাই।  কাছে আমার দোয়া কামনা আমি যেন আমার লক্ষ্যে পৌঁছতে পারি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *