আশুলিয়ায় একের ভেতরে দুই সুন্দরী নারীকে ধর্ষণের পর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ!

সারাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া গফুর মন্ডল স্কুলের পাশে এক সুন্দরীকে নাটকীয় বিয়ের পর
হতে ধারাবাহিক ভাবে ধর্ষণ করে এক যুবক। নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণের ঘটনাটি দীর্ঘদিন ধরে ইজ্জতের ভয়ে গোপন
রাখেন ভুক্তভোগী। থানায় অভিযোগ করেও এলাকার কিছু লোকজনের হুমকির কারণে নিরাপত্তাহীনতায় জীবনযাপন করছেন ভুক্তভোগী।
মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি ২০২১ইং) রাত ৯ টার দিকে আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন, মোসাঃ শারমিন আক্তার নামের এক
সুন্দরী নারী (২১)। সে আশুলিয়ার জামগড়া একটি পোশাক কারখানায় অপারেটার হিসেবে কাজ করেন। ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর
থানার পীরগাছা শংকরপুর গ্রামের আবুল কালামের মেয়ে শারমিন আক্তার (২১), এর কথিত স্বামী মোঃ সাাব্বির হোসেন (২৪), গত
২৬/০৯/২০১৯ইং তারিখে নাটকীয় ও কথিত বিয়ে করে শারমিনকে। বর্তমানে শারমিন ৭মাসের অন্তসত্ত¦া অবস্থায় আশুলিয়ার
জামগড়ার কাঁঠালতলা গফুর মন্ডল স্কুলের পাশে হালিমার বাড়িতে ভাড়া বাসায় ফেলে রেখে গত ১ ডিসেম্বর ২০২০ইং হতে এখন
পর্যন্ত পলাতক রয়েছে।
১২/০১/২০২১ ইং রাতে আশুলিয়া থানায় গিয়ে ধর্ষণের মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন শারমিন। অভিযোগে
উল্লেখ্য রয়েছে গত (১ ডিসেম্বর ২০২০ইং) সকাল ৭ টার দিকে সাব্বির তার অফিসে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে পালিয়েছে,
সে এখন পর্যন্ত পলাতক। জানা গেছে, শরীয়তপুরের ইউনুছ আলী ও মোসাঃ সেলিনা বেগমের ছেলে সাব্বির কিশোর গ্যাংয়ের
সাথে জড়িত আছে বলে স্থানীয়রা জানান। একই বাসায় ভাড়া থাকেন, শারমিন ও তার শশুর শাশুড়ী। শারমিন অভিযোগ করে বলেন, তার
স্বামী সাব্বির কোথায় আছে তার মা বাবা জানেন। স্থানীয়রা জানায়, সাব্বির খারাপ প্রকৃতির লোক, তার বাবা মা আশুলিয়ার
ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া গফুর মন্ডল স্কুল এলাকায় প্রায় ১৫ বছর ধরে ভাড়া বাসায় থাকেন এবং পোশাক কারখানায় চাকুরী
করেন, সাব্বিরদের মা সেলিনা টেইলারী ব্যবসা করেন। এ বিষয়ে সাব্বির হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তাকে
পাওয়া যায়নি। তার মা সেলিনা বেগম গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে বলেন, তার ছেলের বৌ শারমিন আক্তারের নাকি চরিত্র খারাপ। তার
ছেলে কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি জানিনা। এদিকে যে, শারমিন ও সাব্বির হোসেনের বিয়ে যে কাজী
করিয়েছে তার নাম শাহাআলম। অনেকেই জানান, নকল ও কথিত বিয়ে করিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করে অর্থ আদায় করে থাকে
এই কাজী শাহআলম, তাকেও পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে এক ধর্ষণকারী আশুলিয়ায় জামান ও বগুড়ার বকুলের মতো অনেকেই মামলা থেকে জামিনে এসে ধরাছোঁয়ার বাইরেই
থেকে যাচ্ছে। জানা গেছে, বগুড়ার ধুনট উপজেলা এলাকায় এক স্কুল ছাত্রী একাধিক ব্যক্তির ধর্ষণের শিকার হয়ে তার জন্ম দেওয়া
সন্তানের পিতৃপরিচয় তৃতীয় দফায় ডিএনএ (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড) পরীক্ষায় সনাক্ত করা হয়েছে। ডিএএন
পরীক্ষার সনদ অনুযায়ী রাকিব হোসেন (২৮) তার সন্তানের বাবা। র‌্যাব-১ এর সি পি সি ২এর কোম্পানি কমান্ডার সালাউদ্দিন
পিপিএম এর নেতৃত্বে (গত১৭ মার্চ ২০২০ইং) র‌্যাবের বিশেষ একটি দল ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নুর-জামান নামের এক
ধর্ষণকারীকে গ্রেফতার করেন, ওই আসামী আদলত থেকে জামিনে এসে পালিয়েছে। এদিকে ধর্ষিত ভুক্তভোগী একটি মেয়ে
সন্তান জন্ম দিয়েছেন। র‌্যাব জানায়, ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল পূর্ব পাড়া এলাকায় ১২বছরের এক
কিশোরী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর এ ঘটনা প্রকাশ হওয়ায় ভুক্তভোগী মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় অভিযোগ করেন, এরপর
আশুলিয়া থানায় মামলা হওয়ার পর র‌্যাব-১ এর একটি বিশেষ দল ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে
গাজীপুরের কাপাসিয়া এলাকা থেকে ধর্ষণকারী নরুজ্জামানকে গ্রেফতার করেন।
জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার ভাদাইল পূর্ব পাড়া এলাকায় মকছেদ আলী মাদবরের টিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া নুরু-জামান (৩৮) তার
পাশের ঘরের ভাড়াটিয়ার মেয়ে (১২) বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষিতা জানায়, তার বাবা মা প্রতিদিন সকালে কাজে
বেড়িয়ে গেলেই তাকে নানাভাবে ভয় দেখিয়ে অনেক দিন ধরে তাকে ধর্ষণ করে আসছিলো জামান। ভুক্তভোগী বলেন, এ ঘটনা যদি
কাউকে বলা হয় তাহলে তার মা বাবাসহ সবাইকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয় জামান। এইভাবে তাকে অনেক বার ধর্ষণ করে
জামান। জাতীয় পরিচয়পত্র সূত্রে জানা গেছে, আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইল গনকবাড়ী এলাকার ইলিয়াছ উদ্দিন ও
মোছাঃ আছিয়া নেসা’র ছেলে নুর-জামান। এই আসামীর গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছার সৈয়দপুর।
র‌্যাবের কর্মকর্তা জানান, ধর্ষণকারী জামান ওই কিশোরীকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে
আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা হয়েছে। মামলা নং ৫৩/ তারিখ ১৬/০৩/২০২০ইং। র‌্যাব জানায়, মামলা হওয়ার পর
ওই রাতেই ধর্ষণকারী নুর-জামানকে গ্রেফতার করে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করে র‌্যাব। জানা গেছে, কিছুদিন আগে জামান
আদালত থেকে জামিনে এসে পালিয়ে আছে। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের মেয়ে মোছাঃ

জান্নাতি খাতুনের ১দিনে দুই বিযেসহ ৫টি বিয়ের ঘটনা ঘটেছে, অনেকেই বলেন, শুধু ছেলেদের দোষ দেওয়া ঠিক হয় না,
কিছু মেয়েদেরও দোষ আছে, তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সঠিক ভাবে তদন্তের মাধ্যমে আদালতে প্রতিবেদন প্রেরণ করলে
ভুক্তভোগী পরিবার সঠিক বিচার পাবে। উক্ত শারমিন আক্তারের গর্ভের সন্তান নাকি সাব্বির হোসেনের না, এমন অভিযোগ
সাব্বিরের মা করছেন, তাহলে এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা রেকর্ড করে বিবাদী সাব্বিরকে গ্রেফতার করার পর ডিএনএ
পরীক্ষা করার দাবি জানান সচেতন মহল। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ ও পুলিশেল উপর মহলকে জানানো হয়। ১৩
জানুয়ারি এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আশুলিয়া থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।আশুলিয়ায় একের ভেতরে দুই সুন্দরী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *