পঞ্চগড়ে বানিজ্যিক ভাবে ফুল চাষে আশার আলো দেখছে ফুল চাষিরা

অর্থনীতি
মো.বাবলু হোসেন পঞ্চগড় 
বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ করে আশার আলো দেখছে মেহেরপুর হতে এসে পঞ্চগড়ে স্থানীয় ভাবে বসবাস শুরু করার পর ছোট ভাইয়ের মেহেরপুরে ফুল চাষে লাভবান হওয়া দেখে ২০১৩ সালে পঞ্চগড় সদর উপজেলার জগদলে ৬ বিঘা জমিতে গোলাপ,গাঁদা,গ্লাডিওলাস,সূর্যমুখী, ডালিয়া সহ বিভিন্ন ফুল চাষ করে লাভের মুখ দেখছে এই ফুল চাষি। গতবছর করোনার কারণে ব্যাপক পরিমাণে ফুল জমিতেই নষ্ট হবার পর এবছর চাষিরা ফুলের ব্যাপক ফলন পেয়েছে।পঞ্চগড়ের মাটি প্রায় সব ধরণের কৃষি পণ্য উৎপাদনের জন্য উপযোগী।ছোট ভাইয়ের ফুল চাষ লাভবান হওয়া দেখে তার কাছে ফুল চাষের ধারণা নিয়ে ২০১৩ সালে ১বিঘা জমিতে গাঁদা ফুল চাষে লাভবান হয় এই ফুল চাষি।পরবর্তীতে গোলাপ,ডালিয়া,গ্লাডিওলাস,বিভিন্ন রঙের অর্কিড চারা এনে বর্তমানে ৬বিঘার এই ফুলের বাগান নিয়ে আশার আলো দেখছে এই ফুল চাষি।তার এই ফুল পঞ্চগড়ের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জয়পুরহাট, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া,ঢাকা সহ সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌছে যায় পাইকারের মাধ্যমে।তবে স্থানীয় ভাবে পঞ্চগড়ে চারা উৎপাদন না হওয়ায় কুষ্টিয়া থেকে চারা আনতে খরচ বেশি হয় এবং স্থানীয় কোনো ফুলের বাজার না থাকায় অনেক সময় ফুল জমিতে নষ্ট হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।একবিঘা জমিতে ২০হাজার টাকা খরচে বিক্রি ভালো হলে ১ লাখ টাকার গাঁদা বিক্রি সম্ভব। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ফুল চাষে কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতা পেলে পঞ্চগড়ে ফুল চাষের মাধ্যমে জেলার চা ও কমলার পাশাপাশি ফুল চাষ অন্যতম অর্থকরী ফসলে পরিণত হবে খুব শীগ্রই।
এছাড়াও পঞ্চগড়ে ভাবরুঙ্গি পাড়ায় ১০ বিঘার একটি ফুল বাগান রয়েছে।ধন্যবাদ এই ফুল চাষিকে পঞ্চগড়ে ব্যতিক্রম এবং সম্ভাবনাময় একটি উদ্যোগ গ্রহণের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *