মিলেছিলো বলিউডের উঠতি মডেল রোহমান শল ও সুস্মিতা সেনের

বিনোদন

দৈনিক সকালের বাংলা ডেস্কঃ

প্রেমের মাসে টলিউডে যখন মিলন তিথির পূর্ণিমা চাঁদ মাঝ আকাশে বিরাজমান তখন বি টাউনের স্যাম্পেন বিউটির মন মহলে হঠাৎ বিষন্নতার ছায়া কেন !তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নেটিজেনরা। কী এমন হলো প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরীর যে কারণে তাঁর এ হেনো ইনস্টাগ্রাম স্টাটাস। এই তো কদিন আগেও ভাই রাজীব সেনের বিয়েতেও এক সাথে এক ফ্রেমে দেখা মিলেছিলো বলিউডের উঠতি মডেল রোহমান শল ও সুস্মিতা সেনের। প্রতিটা ছবিতেই তো হ্যাপি ফ্যামিলি এভার আফটার হাসিটাই আছে। তাহলে ??

সুস্মিতা সেন কদিন আগে নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একটি স্টেটাস শেয়ার করেন । মানুষের মানসিকতা ও মনের পরিবর্তন নিয়ে নিজের সোশ্যাল হ্যন্ডেলে স্টেটাস শেয়ার করেন সুস্মিতা সেন।

পুরো ব্যাপারটা নিয়ে বেশ হেয়ালি করেই কথা বলতে দেখা যায় সুস্মিতা সেনকে। আর এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে কী হল সুস্মিতা সেনের? তাহলে কি মন ভাঙলো তাঁর ?আর এই স্টাটাস কি রোহমান শলকে নিয়েই ?অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে বলিউড অভিনেত্রী খোলসা করে কিছু জানায়নি। অনেকেই চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন রোহমানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে । অন্যদিকে ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে সুস্মিতা যখন ওই স্টেটাস শেয়ার করেন ,সেই সময় কিন্তু ‘স্পিকটি নট’ হয়ে মুখে কুলুপ আঁটেন বলিউডের উঠতি মডেল রোহমান শল।

সম্প্রতি সুস্মিতার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খোলেন রোহমান শল। তিনি জানিয়েছিলেন,সুস্মিতা এবং তাঁর দুই মেয়ের সঙ্গে তিনি পরিবারের মতো থাকেন। সুস্মিতার মেয়েদের সঙ্গে তাঁর যেমন বন্ধুত্বের সম্পর্ক, তেমনি তিনি ওদের অভিভাবকও।

অনেকেই প্রশ্ন করছেন, সুস্মিতা-রোহমানের সুখের স্বর্গে কি চিড় ধরল, নাকি এ শুধুই মান অভিমানের পালা। রোহমানের সঙ্গে সুস্মিতার কী হল, কেউ কেন কোনও কথা বলছেন না.

সঠিক সময় এলে তিনি এবং সুস্মিতা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন কিন্তু এই প্রশ্ন বারংবার করে যেন তাঁদের বিব্রত না করা হয় এ কথাও সাফ জানিয়ে দেন রোহমান।

বলিউডের উঠতি মডেল রোহমান এর কাশ্মীরে জন্ম হলেও, তিনি দেরাদুনে বড় হয়েছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষ করে সখ করে মডেলিং -এ কেরিয়ার বানানোর প্রস্তুতি শুরু করেন। মডেলিং তাঁর জীবনের ভালবাসা হলেও পেশা নয়। তাই এমন কোনো চিন্তায় তিনি বদ্ধ পরিকর নন যে বলিউডে তাঁকে নাম, যশ করতে হবে, এমন নয়।

সংবাদ সূত্রঃ  k12/7.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *