বাংলাদেশের স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন পুরো দৃশ্যমান, ৯২ভাগ কাজ শেষ!

সারাদেশ

সাইফুল ইসলাম হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন পুরো দৃশ্যমান ও বাস্তবতা-মূল পদ্মা সেতুর ৯২ ভাগ এবং পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের কাজ ৮৪ ভাগ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী
ওবায়দুল কাদের। (১৬ ফেব্রæয়ারি ২০২১ইং) মাওয়া প্রান্তে পদ্মাসেতুর সর্বশেষ অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ ২০২১ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর কাজ দ্রæতগতিতে চলছে। আগামী ২০২২ সালের জুনের মধ্যে সেতু প্রকল্পের সম্পূর্ণ অবকাঠামোর কাজ শেষ করে তা যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে এমনই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এসেতুকে ঘিরে দেশের আগামী দিনের উন্নয়ন আবর্তিত হবে’। পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলে বাংলাদেশে যোগাযোগ খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে’। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদেরকে তাঁর কি স্বপ্ন আগামীতে-জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর প্রথম স্বপ্ন সড়ক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।
দ্বিতীয়ত, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের পথযাত্রায় ভিশন ২০২১-৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে উপযুক্ত শক্তি হিসেবে আওয়ামী লীগকে সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক সংগঠনে পরিণত করা।

৪ মার্চ ২০২১ইং মাওয়া ফেরিঘাটে সরেজমিনে ট্রাফিক বিভাগের কর্মরত ট্রাফিক পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (টিআই) হেলাল এর সাথে গণমাধ্যম কর্মীদের আলাপকালে, তিনি রোডে যানজটের কারণে ব্যস্ত ছিলেন। অন্যদিকে
কিছু আনসার বাহিনীর সদস্য ও কথিপয় পুলিশ সদস্য কর্তৃক নিরব চাঁদাবাজি চলছে ফেরিঘাট এলাকায়, এ ব্যাপারে কোনো মতামত জানাননি এই পুলিশ কর্মকর্তা। উক্ত মাওয়া ঘাটে উপস্থিত জনসাধারণ, আলতাব, খাইরুল, সাগর, ইমন, পলাশ সরকার বলেন, পুলিশ তাদের ইচ্ছামত কৌশলে চাঁদাবাজি করছেন, অনেকেই গোপালগঞ্জের পরিচয় দিয়ে দাপটের সাথে অপরাধমূলক কর্মকান্ড চাঁদাবাজি করছে, এ যেন দেখার কেউ নেই। এ বিষয়ে ঢাকা কোর্টের
আইনজীবী এম এ এস আরাফ এ বিষয়ে বলেন, সেতুমন্ত্রী বলেন, সড়ক ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হলে আগে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে, তাহলেই এই সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। পর্ব ১।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *