সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ):বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি’র সঙ্গে বৈঠকে চলমান আলোচনায় দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট শক্তি এবং বিভিন্ন বিষয়ে সমস্যা সমাধানে কাজ করবে বলে দুই দেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ আশাবাদী।
বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র কেন্দ্রীয় কমিটির মেম্বার মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান এস. এম নজরুল ইসলামসহ অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন যে, “বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি’র সঙ্গে বৈঠকে চলমান আলোচনায় দুই দেশের স্বার্থ প্রাধান্য দিবে বলে আমরা আশাবাদী”।
মোদির সঙ্গে বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চুক্তি নিয়ে কথা বলেছেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূস। পাশাপাশি শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেওয়া বক্তব্য, সীমান্তে হত্যা ও গঙ্গা চুক্তি নবায়নসহ তিস্তা নিয়ে আলোচনা হযেছে। গত শুক্রবার (৪ এপ্রিল ২০২৫ইং) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন। শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসু হয়েছে। আমাদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যার্পণ এবং ভারতে বসে তিনি যে, উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, এসব বিষয়ে বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে হত্যা, তিস্তা নদীর পানি বন্টনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে। এর আগে, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ১২টায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিাবপক্ষীয় বৈঠক হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো ড. ইউনূসের সঙ্গে ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক এটি। ধারণা করা হচ্ছে যে, এই বৈঠকের পর থেকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্যসহ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুফল বয়ে আনবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল ২০২৫ইং) বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই দেশের দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট, নেপালের প্রধানমন্ত্রী এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এইদিন বৈঠকের ছবি ও সন্ধ্যায় নৈশভোজের বেশকিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়। ছবিগুলো সামনে ও পেছন থেকে তোলা হয়েছে, এমনকি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এদিকে দূর থেকে তোলা নৈশভোজের অনেক ছবি ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে পোস্ট করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। এ পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ব্যাংককে রিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ”। ব্যাংককে ২ এপ্রিল শুরু হওয়া রিমসটেক সম্মেলন শেষ হয় ৪ এপ্রিল ২০২৫ইং। উক্ত সম্মেলন নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের কোটি কোটি জনগণের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে, দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়টি ও রাজনৈতিক জটিলতার সমাধান হতে পারে। দুই দেশের প্রধানের আলোচনা চলমান, সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সময়ের অপেক্ষা…। উক্ত প্রতিবেদন পর্ব—১।