কুতুবপুরের সহিদনগরে বিশিষ্ট সমাজসেবক শরীফুল আলমের বাসায় রাতের আধারে দুর্ধর্ষ চুরি

ক্রাইম রিপোর্ট


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গত কয়েকদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়নে দিনে দুপুরে এমন কি রাতের আধারেও কয়েকটি বাড়ি এবং স্কুলে দুর্ধর্ষ চুরি হয়েছে। সম্প্রতি ৩০/৭/২০ ইং তারিখ কুতুবপুর সহিদনগর ৫ নং রোডের বিশিষ্ট সমাজ সেবক শরিফুল আলম ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে তার চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানা ১ নং ইউনিয়নের লোহাগড় গ্রামে বেড়াতে যায়। এরপর গত ৬/৮/২০ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ৮.০০ ঘটিকার সময় তার বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ উৎস ফোন দিয়ে জানায় তার বাড়িতে চুরি হয়েছে তাড়াতাড়ি আসার জন্য। ঘটনাটি শুনে শরিফুল আলম বাড়িতে আসলে দেখে তার বাসার তালার আংটা কাটা এবং দরজা খোলা। ঘরে প্রবেশ করে দেখে স্টিলের আলমারির তালা ভাঙ্গা এবং দরজা খোলা। জামা কাপড় অগোছানো, ভিতরের আসবাবপত্র ছড়ানো ছিটানো, একটি জানালার থাই গ্লাসের পুরোটা ভাঙ্গা, আলমারি চেক করে দেখতে পায় তার রেখে যাওয়া নগদ ২৫,০০০/-টাকা নেই এবং মাটির ব্যাংকে জমানো কয়েক হাজার টাকা নেই। এ ব্যাপারে ভাড়াটিয়াদের কাছে প্রতিবেদক জানতে চাইলে বলেন, ঘটনার দিন রাত অনুমান ১২.০০ঘটিকার সময় আমরা সবকিছু দেখেশুনে দরজা গেট বন্ধ করে ঘুমিয়ে ছিলাম। সকালে ঘুম থেকে জেগে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ পাই। ‌ চিৎকার করিলে সামনের দোকানদার এসে আমাদেরকে বাহির থেকে দরজা খুলে  দেন। নিরাপত্তার স্বার্থে মিস্ত্রি খবর দিয়ে বাড়িওয়ালা শরিফুল আলম সাহেব জানালা মেরামত করে।কুতুবপুরের এই ধরনের ঘটনার উৎপত্তি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও পঞ্চায়েত কমিটির আরো সচেষ্ট হতে হবে। বিশেষ করে, এই অজ্ঞাতনামা চোরদের ধরার জন্য প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি অনতিবিলম্বে প্রয়োজন। জানা যায়,  শরিফুল আলম তার ও তার পরিবার এবং বাসায়়় বসবাসরত ভাড়াটিয়াদের নিরাপত্তার জন্য ফতুল্লা থানায় গত ৬/৮/২০ ইং তারিখ একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যাহা তদন্তাধীন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *