লোহাগড়া আল- ইসলামিয়া সার্জিক্যাল ক্লিনিক কর্তৃক গর্ভবতী মহিলাকে  সিজার অতঃপর রোগীর মৃত্যু

স্বাস্থ্য
কাজী আকিদুল ইসলাম, নড়াইল লোহাগড়া প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়ায় আল ইসলামিয়া সার্জিক্যাল ক্লিনিকে গর্ভবতী মহিলা কেয়া বেগম (২৫) কে ডাক্তার মামুন সিজার করার পর একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে অতঃপর নবজাতকের মা কেয়া বেগম মারা যায়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় অদক্ষ চিকিৎসক দাঁরা অপারেশন করার কারণে ই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ রুগী মৃত নিশ্চিত যেনে ও  মরা লাশ নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
রোগীর সম্পর্কে দুলাভাই অভিযোগ করে বলেন আমার শালী কেয়া বেগম কে ডাক্তার মামুন অপারেশন করেছে এবং ভুল ওষুধ  প্রয়োগ করে  মেরে ফেলেছে। আমরা এর তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি জানাচ্ছি।                         
 কেয়া বেগম নড়াইল সদরের শুম্ভু ডাঙ্গা গ্রামের আরিফুল ইসলাম এর স্ত্রী। কেয়া বেগম এর বাবার বাড়ি লোহাগড়ার বাটিকাবাড়ি গ্রামের মিরাজ শেখ এর মেয়ে কেয়া বেগম। উক্ত ঠিকানায় লাশ নিয়ে যায়।                       
ঘটনা স্থানে পুলিশ এসে ক্লিনিকের মালিক  ও নার্স দের  খোঁজাখুঁজি করেও কাউকে পাননি।
ক্লিনিক প্রোপাইটার মুরাদ কাজী সহ ক্লিনিকের সকলে ই পলাতক ছিল। পুলিশ ক্লিনিকের কাউকে না পেয়ে ৫নং লক্ষীপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী বনি আমিন ও অন্যান্য লোকজনদের সাথে কথোপকথনের মধ্য দিয়ে  লাশ টি নিয়ে যায় তার পরিবার।                                                                    
আরো জানা যায় পুলিশ কোন পক্ষের অভিযোগ না পেয়ে রুগীর বাবা মিরাজ শেখ এর কাছে লাশ হস্তান্তর করেন। এবং  লাশ তার বাবা মিরাজ শেখ তার বাটিকাবাড়িতে নিয়ে যায়।    
বিশেষ সূত্রে জানা যায় উক্ত ডাক্তার মামুন পূর্বেও কয়েকটি গর্ভবতী মহিলা সিজার করে মেরে ফেলেছে। এমন ধরনের ডাক্তার বর্জন করা উচিত বলে জানান রোগীর স্বজনরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *