চালভর্তি ট্রাকে আগুন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে 

রংপুর
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় : 
পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে গত তিনদিন ধরে আটকিয়ে রাখা ভারত থেকে আমদানি করা চালভর্তি একটি ট্রাকে আগুন লেগেছে। তবে, এ ঘটনায় কিছু ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে চালের আমদানিকারক পুলক এন্টারপ্রাইজ  জানিয়েছে।
 বাংলাবান্ধা বন্দর এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ভারত থেকে আমদানি করা চালভর্তি ট্রাকে এই ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ চালভর্তি একটি ট্রাকে আগুন লাগে।
মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা বাড়তে থাকায় দ্রুত তেঁতুলিয়া ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ওই ট্রাকের আগুন নেভায়।
তবে বন্দরে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা থাকলে দ্রুত আগুন নেভানো যেতো।
অগ্নিকাণ্ডের সময় বন্দরের ইয়াডে আরও প্রায় শতাধিক পণ্যবোঝাই ট্রাক খালাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলো।
যদি দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা না যেতো তাহলে অনেক বড় ধরনের দুর্ঘটনা সম্মুখীন হতো বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।  
চাল আমদানিকরক পুলক এন্টারপ্রাইজের মালিক আব্দুস সামাদ পুলক  অভিযোগ করে বলেন, গত বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় এক্সপোর্টার ব্রিজ কিশোরের কাছ থেকে ১শ টন চালভর্তি ৩টি ট্রাকে ইমপোর্ট করা হয়। বৃহস্পতিবার দুটি ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করলে বিভিন্ন জটিলতায় একটি ট্রাক ভারতে আটকে থাকে।  এদিকে বন্দর ইয়াডে গত তিনদিন ধরে গাড়িটি পণ্য খালাসের অপেক্ষা ছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তারা যদি দ্রুত চালগুলো আনলোড করতে দিত তাহলে এমনটি হতো না। ট্রাক থেকে এখনো মালগুলো আনলোড করা হয়নি। পুরোপুরি আনলোড করা হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
বাংলাবান্ধা বন্দরের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে  বলেন, দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধা। যেখানে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ হয়েছে। বন্দর প্রতিষ্ঠার দুই যুগ পেরিয়ে গেলেও এখনো নেই কোন অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। তাই আজ স্থলবন্দরে আমদানিকৃত চালভর্তি ট্রাকে আগুন।
এ বিষয়ে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে বন্দর ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ  বলেন, ট্রাকের চালকের থাকা ক্যাবিনে শর্ট সার্কিটের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে চালের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার পর পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় সময়মতো মালগুলো আনলোড করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *