পিতামাতাকে যেন বৃদ্ধাশ্রমে যেতে না হয় : প্রধান বিচারপতি

বিনোদন

পিতামাতার কাউকে যেন কোনোভাবে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে না হয় সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সন্তানদের শুধু পিতামাতার ভরণ-পোষণ দিলেই হবে না, তাদের সব বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে হবে। শুধু পিতামাতার সেবা করলেই হবে না, সন্তান যদি চাকরি করে তাহলে সন্তানের বেতন থেকে বৃদ্ধ বয়সে তাদের কিছু অংশ দিতে হবে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, সন্তানরা তাদের পিতামাতার ভরণ-পোষণ দেওয়ার পাশাপাশি দাদা-দাদি, নানা-নানির প্রতি দায়িত্বপালন করবেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান ও সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটির চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ।

জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা’র সঞ্চলনায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রেসকাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম, সাবেক মন্ত্রী এ বি এম গোলাম মোস্তফা, সংগঠনের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. ফজলুল হক, স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক এ কে এম রেজাউল হক। সম্বর্ধিত মুক্তিযোদ্ধা লে. জেনারেল (অব.) এম. হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক, এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের পৃষ্টপোষক অধ্যক্ষ ডা. মো. আমিরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে দেশের প্রখ্যাত ৯জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। মুক্তিযোদ্ধারা হলেন : লে. জেনারেল (অব.) এম. হারুন-অর-রশিদ বীরপ্রতীক, এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাস, প্রফেসর ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, প্রকৌশলী মো. কবির আহমেদ ভুঞা, মো. হারুনার রশিদ জমাদ্দার, মোহাম্মদ আহম্মদ হোসেন আদু, মো. আবদুল করিম সরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *