ডায়াগনস্টিক মালিকেরা মানছেন না নির্দেশনা

স্বাস্থ্য
নাজমুল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার :
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সুপারভিশন ও মনিটরিং করতে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এতে ২৫ মে তারিখের নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এগুলো বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এতে নিবন্ধন নবায়ন করতে সময়সীমা দেওয়া থাকলেও আবেদন দ্রুতকরণ এবং নিবন্ধন না পাওয়া পর্যন্ত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ রাখতে বলা হয়ে থাকে।
লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার অভিযান পরিচালনা করে কিছু ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়। সিলগালাকৃত সেন্টারগুলো পুনরায় চালু রাখার অভিযোগ ওঠে। 
তবে নিবন্ধন নবায়নে সময়সীমা নির্ধারণে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো চালু থাকতে পারে। এদিকে আবেদন দ্রুতকরণে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন অজুহাতে অবৈধ সেন্টারগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে চলছে। তাদেরকে কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না।
অভিযান পরিচালনা করে নিউ উপকূল ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হাই-কেয়ার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইসলামিয়া ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেঘনা মেডিকেল সেন্টার, লাইফ লাইন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মডার্ন হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিলগালা করা হয়। কিন্তু পরোক্ষভাবে সিলগালা না মেনে ভিন্ন কায়দায় ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে।
হাসপাতালের সূত্রে জানা যায়, কমলনগর উপজেলার হাজির হাটবাজারে বিসমিল্লাহ মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বৈধ হালনাগাদ কাগজপত্র পাওয়া যায়। এ ছাড়া সব চালুকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি।
সূত্রে আরও জানা যায়, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া উপকূল ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দেশ মা মাটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কমলনগর ডিজিটাল ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইনসাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পপুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মা ডিজিটাল ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, দেশ বাংলা মেডিকেল সেন্টার, মডার্ন মেডিকেল ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে।
অন্যদিকে, শুধু আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লাইফ লাইন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মডার্ন হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইসলামিয়া ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নিউ উপকূল ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হাই-কেয়ার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হাজির হাট ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, হায়াত মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মেঘনা মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, চর বসু ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান জানান, অভিযানে কাগজপত্র নেই এমন প্রতিষ্ঠান যাচাই করে বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। অভিযান চলমান থাকবে। এ ছাড়া নিবন্ধন নবায়নে কিছু সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। আবেদনকৃত মালিকদের প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। নিবন্ধন পাওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারবে না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *