উলিপুরে টক দই খেয়ে ১ জনের মৃত্যু, ৬ জন চিকিৎসাধীন

রংপুর
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুরে টক দই খেয়ে এক জনের মৃত্যু ও ৬ জন হাসপাতাল এবং বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধরনীবাড়ি ইউনিয়নের বামনের হাটে।
বামনের হাটের ব্যবসায়ি মইনুল ইসলাম ও স্থানীয় আনিছুর রহমান, মমিনুল ইসলাম বাবু সহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ২ আগষ্ট সাইদুল ইসলাম(৪০) নামের একজন চা দোকানি অবিক্রিত দুধ রেখে দেন। পরদিন তিনি দেখেন দুধ জমতে শুরু করেছ্ এরপর ওই দুধ দিযে চা না বানিয়ে দই করেন এবং কয়েকজন মিলে ওইদিন রাতে চিড়া দিয়ে দই খান। দই খাওযার পর একে একে সকলে অসুস্থ হয়ে পরেন। অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন, কিশামত মধুপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের পুত্র চা দোকানি সাইদুল ইসলাম(৪০) দক্ষিণ মধুপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র শাহ আলম(৬৩) একই গ্রামের মৃত রমজান আলীর পুত্র আমিনুল ইসলাম(৪০) রাজ চন্দ্রের পুত্র বিনয় কুমার হাজারি(৩০) কিশামত মধুপুর গ্রামের মৃত কেরামত আলীর পুত্র বলু মিয়া(৪৫) একই গ্রমের  মৃত পটল চন্দ্র বর্মনের পুত্র দীনেশ চন্দ্র(৪৮) আব্দুল মজিদের পুত্র ছকিয়ত আলী(৩৫)। এদের মধ্যে ছথমিল মিস্ত্রি শাহ আলম গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল ও পরে রংপুর মেডিকের কলেজ হাসপাতালে নেযা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার রাত ১ টায় শাহ আলমের মৃত্যু হয়। বর্তমানে চা দোকানি সাইদুল ইসলাম, দীনেশ চন্দ্র কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও আমিনুল ইসলাম, বলু মিয়া, বিনয় কুমার হাজারী ও ছকিয়ত আলী নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইমতিয়াজ কবির বলেন, সে দই খেয়ে মারা যায়নি। হার্ডের সমস্যা জনিত কারণে মারা গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, ধারণা করা হচ্ছে খাদ্য বিষক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে। আরো কয়েকজন অসুস্থ্য হওয়ার খবর শুনেছি। বিষয়টি ভালো করে জানার জন্য ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছি। 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.