টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে ২০১ গম্বুজ মসজিদ

ঢাকা সারাদেশ

সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ): দুনিয়াতে আমরা দুইদিনের মেহমান, এই পৃথিবী থেকে এক এক করে সবাইকে চলে যেতে হবে এটাই সত্য। বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়া এলাকায় এই বিশ্বখ্যাত ২০১ গম্বুজ মসজিদটি অসাধারণ সুন্দর, পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন এই মসজিদ রয়ে যাবে। এই মসজিদটি বিশ্বখ্যাত রূপে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে থাকবে বলে এই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, জনতা ব্যাংক লিঃ সি, বি, এ টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার দক্ষিণ পাথালিয়ায় অবস্থিত ২০১ গম্বুজ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, আমি বিশ্বাস করি, এই পৃথিবীতে আমরা কেউ থাকবোনা কিন্তু এই মসজিদটি যতদিন পৃথিবী থাকবে ততদিন রয়ে যাবে। আগামীতে বিশ্বখ্যাত হিসেবে বাংলাদেশের এই মসজিদটি মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে থাকবে এই আমার প্রত্যাশা। তিনি জানান, কোনো খ্যাতির প্রত্যাশা আমার নেই, আমি শুধু বাংলাদেশে শুধুমাত্র একটি কর্ম করে গেলাম। তিনি আরও বলেন, ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়ে আমি শুধু কর্মকেই ভালোবেসেছি। এই ভব সংসারের কিছুই আমার নয়। এখন আমার ভাবনা একটাই, “একদিন মাটির ভিতর হবে ঘর রে মন আমার কেন বান্ধ দালান ঘর”। সবাইকে নামাজ পড়তে হবে, কবরের চিন্তা করতে হবে, মৃত্যুর পর কি হবে একমাত্র আল্লাহ জানেন।
তথ্যমতে, ২০১ গম্বুজবিশিষ্ট দক্ষিণ পাথালিয়া জামে মসজিদ কমপ্লেক্স ও “৩০১ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রফিকুল ইসলাম মিনার” এর নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রফিকুল ইসলাম কল্যাণ ট্রাষ্টের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এর সম্মানিতা মাতা “মিসেস রিজিয়া খাতুন” উল্লেখ্য- রবিবার (১৩ জানুয়ারি ২০১৩ ইং)। এটি কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক ধর্ম গবেষণা কেন্দ্র। মসজিদটিতে ৪৫১ ফুট (৫৭তলা) উচ্চতাবিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রফিকুল ইসলাম মিনার। উক্ত মসজিদটির নির্মাণ কাজ চলছে ২০১৩ইং সাল থেকে, এখনও নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, এখানে মানব সেবার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে কিন্তু অভিযোগ রয়েছে মসজিদটির সামনে হোটেলসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জিনিসপত্রের দাম বেশি রাখা হয়, অসাধু ব্যবসায়ীরা মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে বলে অনেক ভুক্তভোগীরা জানান।
উক্ত বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র কর্মকর্তাগণ ও সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উপদেষ্টা হাজী জমত আলী দেওয়ান বলেন, মসজিদটি অনেক সুন্দর, মসজিদটি এতো সুন্দরভাবে তৈরি করেছেন যিনি সেই বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামকে সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সেই সাথে আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের পক্ষ থেকে উক্ত মসজিদটি নির্মাণকারী সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে মসজিদটি’র নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.